তথ্য প্রযুক্তি সর্বশেষ আপডেট

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট  Bangabandhu-1 সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান: ৩.৭ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির ডিজাইন এবং তৈরি করেছে ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের কাঠামো তৈরি, উৎক্ষেপণ, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূ-স্তরে দুটি স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানটির।

স্যাটেলাইটের ধরণ: মহাকাশে প্রায় ৫০টির উপর দেশের দুই হাজারের উপর স্যাটেলাইট বিদ্যমান। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-আবহাওয়া স্যাটেলাইট, পর্যবেক্ষক স্যাটেলাইট, ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট ইত্যাদি। তবে বিএস-ওয়ান হল যোগাযোগ ও সম্প্রচার স্যাটেলাইট।

স্যাটেলাইটের কাজ: টিভি চ্যানেলগুলোর স্যাটেলাইট সেবা নিশ্চিত করাই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ। এর সাহায্যে চালু করা যাবে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস। এছাড়া যেসব জায়গায় অপটিক কেবল বা সাবমেরিন কেবল পৌছায় নি সেসব জায়গায় এ স্যাটেলাইটের সাহায্যে নিশ্চিত হতে পারে ইন্টারনেট সংযোগ।

অর্থায়ন: প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২৯০২ কোটি টাকা। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হচ্ছে ১৫৪৪ কোটি টাকা, বাকি ১৩৫৮ কোটি টাকা হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) বিডার্স ফিনান্সিং এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান ও উৎক্ষেপণকারী রকেট: মার্কিন রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এই স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে কেনেডি স্পেস সেন্টারে স্পেসএক্সের লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১  ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয়।

স্যাটেলাইটের ফুটপ্রিন্ট: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমার কক্ষপথে। এর ফুটপ্রিন্ট বা কভারেজ হবে ইন্দোনেশিয়া থেকে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত। শক্তিশালী কেইউ ও সি ব্যান্ডের মাধ্যমে এটি সবচেয়ে ভালো কাভার করবে পুরো বাংলাদেশ, সার্কভুক্ত দেশসমূহ, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়া।

মহাকাশে কেনা হয় কক্ষপথ: ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি অরবিটাল স্লটে (নিরক্ষরেখায়) উড়বে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে ১৫ বছরের জন্য অরবিটাল স্লট বা নিরক্ষরেখা (১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব) লিজ নিয়েছে বাংলাদেশ। দুই কোটি ৮০ লাখ ডলার ব্যয়ে এ স্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে।

বিএস-ওয়ানের খরচ: প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২৯০২ কোটি টাকা। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হচ্ছে ১৫৪৪ কোটি টাকা, বাকি ১৩৫৮ কোটি টাকা হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) বিডার্স ফিনান্সিং এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

সুযোগ সুবিধা সমূহ

দেশীয় অর্থ সাশ্রয়:
বর্তমানে দেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও ইত্যাদি সংস্থা বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে। বহির্বিশ্বের বিভিন্ন স্যাটেলাইট অপারেটরের কাছ থেকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপন্ডার ভাড়া বাবদ প্রতি বছর প্রায় ১৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয় করে থাকে। অনুমোদন পাওয়া আরও স্যাটেলাইট চ্যানেলের সম্প্রচার শুরু হলে এ ভাড়া আরও বাড়বে। শুধু ব্রডকাস্টিং চাহিদার পূরণে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হলে এ অর্থ দেশেই রাখা সম্ভব হবে। তখন এই অর্থ প্রতি বছর রাজস্ব হিসেবে আয় হবে।

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার ক্যাপাসিটি থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ট্রান্সপন্ডার বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে সম্প্রচার সেবার প্রসার সহজ হবে:
প্রত্যন্ত অঞ্চলে সম্প্রচার সেবার প্রসার সহজ এবং বৈশ্বিক টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরনির্ভরশীলতার অবসান হবে। এছাড়া দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

ব্রডকাস্টিং সেবায় খরচ কমবে:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হলে বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া ছাড়াই প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক কম মূল্যে ব্রডকাস্টিং সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া টেলিমেডিসিন, ই-লার্নিং, ই-গবেষণা, ভিডিও কনফারেন্স, প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।

নাাগরিক তথ্য সেবা সর্বশেষ আপডেট

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ এর নাম ও তাদের পদবী

বাংলাদেশের ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের নাম, জন্মস্থান, জন্ম তারিখ , পদবি, কর্মস্থল ও শহীদ হওয়ার তারিখ এবং সমাধি স্থানসহ বিভিন্ন তথ্য।

নামঃ মোস্তাফা কামাল
জন্মস্থানঃ ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজিপুর গ্রামে।
জন্ম তাংঃ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সাল
পিতাঃ হাবিবুর রহমান মন্ডল
মাতাঃ মোসাম্মাৎ মালেকা বেগম
কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
যোগদানঃ ১৯৬৮ সাল
পদবীঃ সিপাহী
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৮ নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সাল
সমাধি স্থানঃ ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে

নামঃ মোহাম্মদ হামিদুর রহমান
জন্মস্থানঃ বর্তমান ঝিনাইদহ জেলা মহেশপুর উপজেলার খোরদাখালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন ।
জন্ম তাংঃ ২ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৫৩ সাল
পিতাঃ আক্কাস আলী
মাতাঃ কায়দাছুন্নেসা
কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
যোগদানঃ ১৯৭০ সালে
পদবীঃ সিপাহী
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৪নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সাল
সমাধি স্থানঃ মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান

নামঃ মুন্সি আব্দুল রউফ
জন্মস্থানঃ ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার সালামতপুর গ্রামে ।
জন্ম তাংঃ ১ মে ১৯৪৯ সাল
পিতাঃ মুন্সি মেহেদি হোসেন
মাতাঃ মোছাঃ মুকিদুন্নেছা
কর্মস্থলঃ ই পি আর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস
যোগদানঃ ৮ মে ১৯৬৩ সাল
পদবীঃ ল্যান্স নায়েক
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ১ নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সাল
সমাধি স্থানঃ রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের পাশে

নামঃ রুহুল আমিন
জন্মস্থানঃ নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন ।
জন্ম তাংঃ ১৯৩৪ সালের জুন মাসে
পিতাঃ মোঃ আজহার পাটোয়ারী
মাতাঃ মোছাঃ জুলেখা খাতুন
কর্মস্থলঃ নৌবাহিনী
পদবীঃ স্কোয়াড্রন ইন্জিনিয়ার
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ১০ নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল
সমাধি স্থানঃ রুপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে ।

নামঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
জন্মস্থানঃ বরিশাল জেলার বাবুগন্জ থানার রহিমগন্জ গ্রামে ।
জন্ম তাংঃ ৭ই মার্চ ১৯৪৯ সালে
পিতাঃ আব্দুল মোতালেব হাওলাদার
মাতাঃ মোসাম্মাৎ সাফিয়া বেগম
কর্মস্থলঃ সেনাবাহিনী
যোগদানঃ ১৯৬৭ সালে
পদবীঃ ক্যাপ্টেইন
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৭ নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে
সমাধি স্থানঃ চাঁপাইনবাবগন্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গন

নামঃ মতিউর রহমান
জন্মস্থানঃ ঢাকা শহরের আগা সাদেক রোডের ১০৯ নম্বর বাড়ি।
জন্ম তাংঃ ২৯ অক্টোবর ১৯৪১ সালে
পিতাঃ মৌলবি আব্দুস সামাদ
মাতাঃ সৈয়দা মোবারুকুন্নেসা
কর্মস্থলঃ বিমান বাহিনী
যোগদানঃ ১৯৬১ সালে
পদবীঃ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট
মৃত্যুঃ ২০ আগস্ট ১৯৭১ সালে
সমাধি স্থানঃ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

নামঃ নূর মোহাম্মদ শেখ
জন্মস্থানঃ নড়াইল জেলার মহেষখোলা গ্রামে
জন্ম তাংঃ ২৬ ফ্রেব্রুয়ারী ১৯৩৬ সাল
পিতাঃ মোঃ আমানত শেখ
মাতাঃ জেন্নাতুন্নেসা
স্ত্রীঃ তোতাল বিবি
কর্মস্থলঃ ই পি আর
যোগদানঃ ১৯৫৯ সাল
পদবীঃ ল্যান্স নায়েক
অংশরত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৮ নং সেক্টর
মৃত্যুঃ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সাল
সমাধি স্থানঃ যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে

তথ্য প্রযুক্তি সংবাদ সর্বশেষ আপডেট

গ্রহ নক্ষত্র গুলো শুন্যে ভেসে আছে কিভাবে?

অনেকেরই প্রশ্ন- গ্রহ নক্ষত্র গুলো শুন্যে ভেসে আছে কিভাবে?
কেনোই বা তারা সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘুরছে?
কেনো তারা ছিটকে বা অন্যভাবে দূরে চলে যাচ্ছেনা?
আমাদের চারপাশে আমরা যে বলের বা আকর্ষন বিকর্ষনের ঘটনা দেখি এগুলো কেনো হয়?

এগুলোর মোটামুটি বিস্তারিত ব্যাখা দেওয়ার চেষ্টা করবো আজ। প্রথমেই আসি গ্রহ নক্ষত্রের ব্যাপারে। তারা ভেসে আছে কি করে?
আমরা অনেকেই হয়তো স্পেস টাইম কার্ভেচারের নাম শুনেছি। অনেকেই হয়তো কিছুটা বুঝি আবার কেউ কেউ হয়তো বুঝিনা। আসুন জিনিসটা আবার বুঝা যাক।

ধরুন আপনি একটি রাবারের পাতলা চাদরকে অনেক টান টান করে চারপাশে আটকালেন। তখন সেটা একটা সমতল পৃষ্ঠ এর ন্যায় দেখাবে। কিন্তু যদি এখন আপনি এর মধ্যে একটি ১ কেজি বা ৮০০ গ্রাম ওজনের বল রাখেন।তাহলে সেই বলটি উক্ত চাদরকে বাকাবে এবং একটু গর্তের ন্যায় তৈরি করবে।

এখন কথা হচ্ছে, যদি আপনি ঐ চাদরের একদম উপরে বা মাঝের যেকোনো কোথাও একটি ছোট মার্বেল রাখেন, সেটি গড়িয়ে গিয়ে সেই ১ কেজি ওজনের বলের সাথে গিয়ে লাগতে চাইবে।কেননা সে একটি বাকানো পথ তৈরি করেছে যার ফলে তার থেকে কম ওজনের যাই দেওয়া হবে সেটা সেই বাক তৈরির উৎস্যের দিকেই যাবে। ঠিক যেভাবে নিচু গর্তে পানি গড়িয়ে যায়।

তবে উক্ত চাদরে যদি আপনি কোনো মার্বেলকে একটু অনুভূমিক বরাবর গতি প্রদান করতে পারেন তবে দেখবেন অনেক্ষণ ধরে তা ঘুরপাক খাবে।মাঝে মধ্যে গর্তে গিয়ে আবার বেরিয়ে এসে ঘুরতে থাকবে এবং শক্তি হারাতে হারাতে এক সময় থেমে গিয়ে গর্তে পতিত হবে।

এবার আসুন, গ্রহের বেলায় এটা কিভাবে কাজ করে। বিজ্ঞানীদের মতে, বিগব্যাং হওয়ার পরে আমাদের এই মহাবিশ্বের মধ্যে ৪র্থ মাত্রার একটি চাদর বিস্তৃত হয়ে গিয়েছিলো। যার উপরেই মহাবিশ্বের সকল কিছু অবস্থান করছে। বলে রাখা ভালো এটি একটি ৪র্থ মাত্রার চাদর যা ঘর্ষণহীন এবং যার নাম দেওয়া হয়েছে স্পেস-টাইম। তো এই চাদরও ঠিক রাবারের ওই চাদরের মতনই ক্রিয়া করে। উদাহরণ স্বরূপ, আমাদের সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে ভারী বস্তু হলো সূর্য। অর্থাৎ, সবচেয়ে বেশি স্পেস-টাইমকে বাঁকাবেও সেই সূর্য। আর যেহেতু পৃথিবীসহ সকল গ্রহই সূর্যের নিকট নগণ্য, তাই তারা সবাই সূর্যের দিকেই ধাবিত হতে চাইবে ঠিক যেভাবে মার্বেলটি হতে চাইতো।

কিন্তু অনেকে এখানে প্রশ্ন করবে,মার্বেলটি তো একসময় থেমে গিয়ে কেন্দ্রে পতিত হয়েছিলো। তাহলে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলো কেনো পতিত হচ্ছেনা?

উত্তর হলো, যেহেতু আগেই বলেছি স্পেস-টাইম একটি ৪র্থ মাত্রার ঘর্ষণহীন চাদর, তাই পৃথিবী বা অন্যান্য গ্রহগুলো ঘর্ষণহীন ভাবে ঘুরতে পারছে। যেহেতু ঘর্ষণহীনভাবে ঘুরছে, তাই তাদের শক্তিও হারাচ্ছে না। অর্থাৎ, মার্বেলের মতো গ্রহদের একদম কেন্দ্রে পতিত হবার কোনো রাস্তা নেই(এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে)। তাদের কোনো বিরাট বাহ্যিক শক্তি দ্বারা বিকৃত না করা হলে যতদিন সূর্য আছে, তারা ততোদিনই একই ভাবে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে থাকবে। এ কারণেই বলা হয় পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলো নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে। কারণ,তারা এখনও বিকৃত হয়নি। সূর্য স্পেস-টাইমকে বেশি বাকিয়েছে, তাই সূর্যের চেয়ে কম ভরের যারা রয়েছে সকলেই সূর্যের দিকে ধাবিত হতে চেয়েছে এবং তাদের পূর্বের আদিবেগের কারনে গোলাকার বা পরাবৃত্তাকারে অববরত প্রদক্ষিণ করে যাচ্ছে।

ঠিক প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলোও কিন্তু এভাবেই কাজ করে। যেমন পৃথিবীর ভর চাঁদের চেয়ে বেশি। তাই পৃথিবী স্পেস-টাইমকে চাঁদের থেকে বেশি বাকিয়েছে এবং ফলস্বরুপ, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে আর পৃথিবী সূর্যকে। এই গ্রহের ঘুর্ণনের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে আমাদের কেন্দ্রমুখী এবং কেন্দ্রবিমুখী বলের সমান হওয়ার ব্যাখ্যাগুলো দেওয়া হয়। কিন্তু কেন্দ্রমুখী এবং কেন্দ্রবিমুখী বলগুলো কেনো সমান হলো? কিভাবে সমান হলো? এগুলোর ব্যাখ্যা কেউ চায় ও না,কেউ দেয় ও না। তাই, এটার মূল কারণ এবং থিওরি এটাই যা সবচেয়ে লেটেস্ট।

এবার আসা যাক বলের দিকে। আমরা সকলেই চারটি মৌলিক বলের নাম জানি। মহাকর্ষ বল তার মধ্যে একটি যা একটি দুর্বল বল। কেনো দুর্বল হয় এই মহাকর্ষ বল?

এটারও মূল থিওরি স্পেস-টাইমই।
যেমন আমাদের পৃথিবীর মধ্যেই যদি আমরা কিছু দূরে দূরে দুইটি কলম রাখি তারা কিন্তু মিলিত হচ্ছেনা। কারণ, তাদের অতো বেশি পরিমানের ভর নেই যার দ্বারা তারা স্পেস-টাইম বাকিয়ে অন্যদের আকর্ষণ করবে। তবে তারা যে আকর্ষণ করছে না এমনটি নয়।তারাও করছে, তবে তা এতোই কম যে তাদের অগ্রসর হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ নয়। অর্থাৎ, যেই বস্তু যতো বেশি স্পেস-টাইমকে বাকাতে পারবে, সে ততো বেশি অন্য বস্তুকে তার দিকে টেনে নেওয়ার প্রবণতা দেখাবে। এমনকি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুসমূহের কাছাকাছি আসার মধ্যেও এই স্পেস-টাইম এর প্রভাব রয়েছে। খেয়াল করলে দেখা যায় আকর্ষন+বিকর্ষণ+ প্রায় সকল ধরনের বলই এই স্পেস-টাইমের গর্তের উপরই নির্ভর করছে। গর্তই তৈরি করছে বল। যার কারণে এই মহাবিশ্ব এতো সুশীলভাবে চলছে,রহস্যজনকভাবে,সুন্দরভাবে।
ব্ল্যাকহোলও স্পেস-টাইমকে কাজে লাগিয়েই সমস্ত কিছুকে গ্রাস করে।যেহেতু ব্ল্যাকহোলগুলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে ভারী বস্তুগুলো হিসেবে কাজ করে তাই এরা স্পেস-টাইমকে এতোই বাকায় যে তা ছিদ্রের ন্যায় হয়ে যায়।যার দরুন, উহার ভিতরে কিছু চলে গেলে তার ফিরে আসার মতো শক্তি থাকেনা।আলো 3X10^8 মি/সে. গতি নিয়েও তা থেকে বের হতে পারেনা। কেনো পারেনা? যেহেতু আলো মূলত ফোটন কণার প্রবাহ। আর কণা অবশ্যই স্পেস-টাইমের ফাঁদে পা দিতেই পারে স্বাভাবিক।

সংবাদ সর্বশেষ আপডেট

তামিলনাড়ুর আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১১

ভারতের তামিলনাড়ুর একটি বেসরকারি আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৬ জন। খবর এনডিটিভি।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটি চেন্নাই থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে।

পুলিশ জানিয়েছে, আতশবাজি তৈরির জন্য কিছু রাসায়নিকের মিশ্রণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য কাজ করছে।

সংবাদ সর্বশেষ আপডেট

তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়বে

দেশের অনেক অঞ্চলেই তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। আজ রাতের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে। আগামী তিন দিনে আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে তারপর থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আজ রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তারপরের দুই দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। তারপরের পাঁচ দিনে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

চাকরির খবর সর্বশেষ আপডেট

বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়োগ

পদের নাম: সিনিয়র অফিস-আইটি
পদ সংখ্যা: ১৭ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার বিজ্ঞান/ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল/ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি/ ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং/ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে  স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/ স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট erecruitment.bb.org.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখ রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

সংবাদ সর্বশেষ আপডেট

কানাডার পার্কে এলোপাতাড়ি গুলিতে ৪ বাংলাদেশি আহত

কানাডার টরন্টোর রিজেন্ট পার্ক এলাকায় চার বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টোর সভাপতি দেবব্রত দে তমাল ফেসবুকে এক পোস্টে বলেছেন, গোলাপগঞ্জ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি আনাই মিয়া, মারহাবা গ্রোসারির মুমিন মিয়া, সুলতান মিয়া ও ছাত্তার মিয়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন। তাদের মধ্যে আনাই মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি তিনজন শঙ্কামুক্ত।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে রিজেন্ট পার্ক ব্লুভার্ড ও ডান্ডাস স্ট্রিট সংলগ্ন ওক স্ট্রিটের পার্কিং লটে এলোপাতাড়ি গুলি হয়েছে- এমন খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে অসংখ্য গুলির দাগসহ একটি হোন্ডা অ্যাকর্ড গাড়ি দেখতে পায়। পরে তারা তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশ আরও জানায়, তারা ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। দুইজন সন্দেহভাজনকে তারা খুঁজছে। সন্দেহভাজনরা ২০১৪ সালের টয়োটা রাভ ফোর গাড়ি ব্যবহার করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব টরন্টো এবং কানাডায় বসবাসরত প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ, নিন্দা ও অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচাররে জন্য জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

ww.jagonews24.com